Day: September 22, 2026

জ্বরজনিত খিঁচুনি (ফেব্রাইল কনভালশন): লক্ষণ, কারণ ও করণীয়

জ্বরজনিত খিঁচুনি বা ফেব্রাইল কনভালশন ছোট শিশুদের মধ্যে তুলনামূলক পরিচিত একটি পরিস্থিতি, যা দেখে বাবা-মা প্রায়ই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যদিও এটি সাধারণত জীবনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকিপূর্ণ নয়, তবুও এই মুহূর্তে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া এবং কখন জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন তা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Febrile Convulsion কী এবং বাচ্চাদের জ্বর ও খিঁচুনি কী? Febrile convulsion বা জ্বরজনিত খিঁচুনি হলো এমন একটি খিঁচুনি, যা তীব্র জ্বরের সাথে সম্পর্কিত হয়ে ছোট শিশুদের মধ্যে দেখা দেয়। এটি সাধারণত ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, যখন শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। বাচ্চাদের জ্বর হলে খিঁচুনি হয় কেন? বাচ্চাদের জ্বর হলে খিঁচুনি…

শিশুদের হাইপোটোনিয়া (ফ্লপি বেবি সিনড্রোম): কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

শিশুদের হাইপোটোনিয়া এমন একটি অবস্থা, যা নিয়ে অনেক নতুন মা-বাবাই বিভ্রান্ত বা উদ্বিগ্ন থাকেন। সাধারণ ভাষায় এটিকে “মাংসপেশীর দুর্বলতা” বা “ফ্লপি বেবি সিনড্রোম” নামেও ডাকা হয়। যেহেতু এটি একটি লক্ষণ (উপসর্গ), কোনো একক রোগ নয়, তাই এর পেছনের প্রকৃত কারণ জানা এবং সময়মতো মূল্যায়ন করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাইপোটোনিয়া কী এবং হাইপোটোনিয়া শব্দের অর্থ কী? হাইপোটোনিয়া শব্দের অর্থ হলো মাংসপেশীর স্বাভাবিক টান (মাসল টোন) কমে যাওয়া। সুস্থ শিশুর মাংসপেশিতে একটি স্বাভাবিক দৃঢ়তা থাকে, যা তাকে নির্দিষ্ট ভঙ্গিতে শরীর ধরে রাখতে সাহায্য করে। হাইপোটোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুর ক্ষেত্রে এই স্বাভাবিক টান কমে যায়, ফলে শরীর শিথিল বা “ফ্লপি” মনে হয়। হাইপোটোনিয়া (ফ্লপি ইনফ্যান্ট…

প্রসবকালীন ব্যথানাশক ও ব্যথামুক্ত ডেলিভারি গাইড

প্রসবকালীন ব্যথানাশক নিয়ে প্রায় প্রতিটি হবু মায়ের মনেই নানা প্রশ্ন থাকে — প্রসব ব্যথা কেমন হবে, তা সহ্য করা যাবে কিনা, এবং ব্যথা কমানোর কোনো নিরাপদ উপায় আছে কিনা। সুখবর হলো, আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এখন বিভিন্ন কার্যকর ও নিরাপদ ব্যথা উপশম পদ্ধতি নিয়ে এসেছে, যা প্রসব প্রক্রিয়াকে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক করে তুলতে পারে। প্রসব ব্যথা কেমন হয়? প্রসব ব্যথা কেমন হয় তা প্রতিটি নারীর ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত জরায়ুর সংকোচনের ফলে তলপেট ও কোমরে চাপ অনুভূত হয়, যা প্রসব অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে তীব্র হতে থাকে। এই অভিজ্ঞতা ব্যথা সহনশীলতা, শিশুর অবস্থান এবং প্রসবের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে…

একটোপিক প্রেগনেন্সি: লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা — একটি জরুরী অবস্থা

একটোপিক প্রেগনেন্সি এমন একটি চিকিৎসাগত জরুরী অবস্থা, যা সম্পর্কে প্রতিটি নারীর সচেতন থাকা প্রয়োজন। এটি এমন একটি পরিস্থিতি, যেখানে গর্ভধারণ জরায়ুর ভেতরে না হয়ে জরায়ুর বাইরে ঘটে — যা দ্রুত শনাক্ত না হলে মায়ের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একটোপিক প্রেগনেন্সি কি এবং এর বাংলা অর্থ কী? একটোপিক প্রেগনেন্সি বাংলা অর্থ হলো “জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ” বা “অস্থানিক গর্ভাবস্থা”। স্বাভাবিক গর্ভাবস্থায় নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর ভেতরের প্রাচীরে সংযুক্ত হয়ে বিকশিত হয়। তবে একটোপিক প্রেগনেন্সিতে এই নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর বাইরে — সাধারণত ফ্যালোপিয়ান টিউবে — সংযুক্ত হয়ে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা কখনোই একটি স্বাভাবিক, সুস্থ গর্ভাবস্থায় পরিণত হতে পারে না।…

দীর্ঘায়িত প্রসব: নবজাতকের অক্সিজেন সংকটের কারণ, ঝুঁকি ও চিকিৎসা

সন্তান প্রসবের সময় মায়ের প্রসবের সময় দীর্ঘায়িত হলে নবজাতকের পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পাওয়ার ঝুঁকি থাকে — এই তথ্যটি প্রতিটি গর্ভবতী মা ও তার পরিবারের জানা অত্যন্ত জরুরি। প্রসব একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও, এটি দীর্ঘায়িত হলে মা ও গর্ভস্থ সন্তান উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ প্রসব = অক্সিজেন সংকট: এই সম্পর্ক কেন গুরুত্বপূর্ণ? দীর্ঘ প্রসব = অক্সিজেন সংকট — এই সমীকরণটি বোঝা জরুরি, কারণ প্রসবকালীন প্রতিটি সংকোচনের সময় সাময়িকভাবে প্লাসেন্টার মাধ্যমে রক্ত প্রবাহ কিছুটা কমে যায়। স্বাভাবিক প্রসবে শিশু এই সাময়িক পরিবর্তন সহ্য করতে পারে। তবে প্রসব…